রগুনার বামনা থানার মা ব্রিকসের ম্যানেজার ছিলেন কমল কান্তি। তার ১১ মাসের মেয়ে কান্তাশ্রীরী। কমল কান্তি বাড়িতে মোবাইলে কল এলেই বাবা ডেকে ওঠে কান্তাশ্রীরী। অথচ সেই কমল কান্তি গত ২১ সেপ্টেম্বর থেকে নিখোঁজ। ওই দিন তিনি ব্যবসার কাজে রওনা হন ঢাকার পথে। রওনা দেয়ার আগে আদর করে ভাত মেখে খাওয়ান ১১ মাসের মেয়ে কান্তাশ্রীরীকে। তারপর আর বাড়ি ফিরতে পারেননি তিনি। তিনি কোথায় আছেন, কেমন আছেন, আদৌ বেঁচে আছেন কি না এর কিছুই জানেন না তার পরিবার। গতকাল শুক্রবার সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত মানববন্ধনে মেয়ে কান্তাশ্রীরীকে কোলে নিয়ে এসব কথা বলেন কমল কান্তির স্ত্রী অনিতা রানী। তার দাবি একটাই, স্বামী কোথায় আছে তার সন্ধান যেন পান। অনিতা রানী সাংবাদিকদের বলেন, ছোট মেয়েকে সে অনেক ভালোবাসত। কাজে বেরিয়ে যেত সকালে, সারাদিন বাইরে থাকত। একটু পরপরই ফোন করে মেয়ের সঙ্গে কথা বলত। মেয়েটাও খুব বাবা ভক্ত ছিল। দুই মাস হতে চলল, আমার স্বামী নিখোঁজ। কিন্তু মোবাইলে কল এলেই মেয়েটা মনে করে, ওর বাবা ফোন দিয়েছে। সবসময় বাবা বাবা বলে কান্না করে। রাতে বিছানায় বাবাকে খোঁজে। ওইটুকু অবুঝ শিশুর কান্না দেখে মনকে মানাতে পারি না। স্বামীকে হারানোর কষ্ট দ্বিগুণ হয়ে যায়। আনিতা রানী বলেন, কমল কান্তি গত ২১ সেপ্টেম্বর ঢাকার পথে রওনা হওয়ার পর আর তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ হয়নি। এর কয়েকদিন পর মাওয়া ঘাটে পাওয়া একটি লাশ আমাদের দেখিয়ে বলে, ওইটা আমার স্বামীর লাশ। কিন্তু আমাদের বিশ্বাস, ওইটা ওর লাশ হতে পারে না। তাকে গুম করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ওকে গুম করার পেছনে যারা জড়িত, তাদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানাই। তিনি আরো বলেন, কয়েকদিন ধরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে চাচ্ছি। কিন্তু কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছে না। তাই বিচারের দাবি জানাতে প্রেস ক্লাবে এসেছি। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন কমল কান্তির বাবা। তিনি বলেন, শত্রুতার জের ধরে আমার ছেলেকে গুম করা হয়েছে। পরে অন্য একটা লাশ দেখিয়ে তারা বলে, ঢাকা যাওয়ার পথে মাওয়া ঘাটে ডুবে মারা গেছে কমল। ওরা যে ছবি দেখিয়েছে, সেটার সঙ্গে আমার ছেলের কোনো মিল নেই। আমার ছেলের সন্ধান চাই। মানববন্ধনে কমল কান্তিকে খুঁজে বের করার দাবি জানিয়ে বাংলাদেশ হিন্দু পরিষদের মুখপাত্র অ্যাডভোকেট সুমন কুমার রায় বলেন, একটি মহল সাম্প্রদায়িক উসকানিমূলক কর্মকা-ে লিপ্ত হয়েছে। সনাতন সম্প্রদায়ের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ছড়াচ্ছে তারা। এ বিষয়ে সনাতন সম্প্রদায়কে সজাগ থাকতে হবে। পরিষদের সভাপতি দিপঙ্কর শিকদার দিপুর সভাপতিত্বে মানববন্ধনে সহ-সভাপতি ড. বিপ্লব ভট্টাচার্য, অসীম দেবনাথসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।  

আজ ১৬ই নভেম্বর, একাত্তরে পাকি হার্মাদ বাহিনীর কলজে পানি করা, ‘দাস পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা শহীদ জগত জ্যোতি দাস শ্যামা বীর বিক্রম’র ৪৮ তম মৃত্যুবার্ষিকী। রাষ্ট্রীয় ভাবে দিনটিকে স্মরণ করা হয়নি তেমন কথা থাকলেও বীরশ্রেষ্ঠ উপাধীর সম্মান মেলেনি আজ অবধি।কালের প্রবাহে ভুলতে বসেছি জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানকে।। স্বাধীনতার সূর্যোদয় থেকে মাত্র ৩০ দিন দূরত্বে নিভেছিল বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সন্তানের জীবন প্রদীপ। যদিও, তাঁকে বীরশ্রেষ্ঠ উপাধি’তে ভূষিত করার কথা ছিল। কিন্তু স্বাধীনতার পর তাঁকে মরণোত্তর ‘বীর বিক্রম’ উপাধি দেয়া হয়, ১৯৭৩ সালের সরকারি গেজেট অনুযায়ী তাঁর বীরত্বভূষণ সনদ নম্বর ১৫৪। তবে, শহীদ জগত জ্যোতি দাস রইবেন সাধারণ মানুষের ভিড়ে। তিনি ও তাঁর দাস পার্টির বীরত্বগাঁথা লাভ করেছে পুনর্জন্ম বিগত কয়েক বছরে। এমনটাই অবশ্যম্ভাবী ছিল। গেরিলা ১৯৭১ পরিবার, আজকের শোকাবহ দিনে তাঁর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানিয়ে চিরশান্তি প্রার্থনা করছি।

শিরোনাম অনুপ্রবেশকারীকে যার যার দেশে ফেরত পাঠাব : অমিত প্রকাশ : শুক্রবার, ১১ অক্টোবর, ২০১৯ ২৩:২৭  প্রবেশকারীকে যার যার দেশে ফেরত পাঠাব : অমিত কলকাতা প্রতিনিধি  মী লোকসভা নির্বাচনের আগেই ভারতে অবস্থান করা প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকেই তাদের নিজেদের যার যার দেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে ফের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ভারতের ক্ষমতাসীন দল বিজেপি সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। হরিয়ানায় আসন্ন বিধানসভার নির্বাচনের আগে বুধবার মেহামে এক জনসভা থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অনুপ্রবেশ এবং জাতীয় নাগরিকপঞ্জি (এনআরসি) চালু করা-উভয়ই বিজেপির প্রথম অগ্রাধিকার। তিনি বলেন, ‘২০২৪ সালে আমরা যখন আবার আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসব, আমি বলতে চাই যে তার আগে দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের উৎখাত করে তাদের দেশে ফেরত পাঠাব। ’ আসামে এনআরসি বিতর্ক নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘৭০ বছর ধরে এই অনুপ্রবেশকারীরাই আপনাদের নিরাপত্তাকে প্রশ্নের মুখে ঠেলে দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সংবাদ।

মাত্র দুটি কাজ করলেই প্রতিরোধ হবে ক্যান্সার! SEP 29, 2019 লাইফস্টাইল ওশ স্টেট মেডিকেল ইউনিভার্সিটি, মস্কো, রাশিয়ার ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ডা. গুপ্তপ্রসাদ রেড্ডি (বি ভি) বলেছেন, ক্যান্সার কোনো মরণব্যাধি নয়, কিন্তু মানুষ এই রোগে মারা যায় শুধুমাত্র উদাসীনতার কারণে। তার মতে, মাত্র দুটি উপায় অনুসরণ করলেই উধাও হবে ক্যান্সার। উপায়গুলো হচ্ছে:- ১. প্রথমেই সব ধরনের সুগার বা চিনি খাওয়া ছেড়ে দিন। কেননা, শরীরে চিনি না পেলে ক্যান্সার সেলগুলো এমনিতেই বা প্রাকৃতিকভাবেই বিনাশ হয়ে যাবে। ২. এরপর এক গ্লাস গরম পানিতে একটি লেবু চিপে মিশিয়ে নিন। টানা তিন মাস সকালে খাবারের আগে খালি পেটে এই লেবু মিশ্রিত গরম পানি পান করুন। উধাও হয়ে যাবে ক্যান্সার। মেরিল্যান্ড কলেজ অব মেডিসিন- এর একটি গবেষণায় বলা হয়েছে, কেমোথেরাপির চেয়ে এটি হাজার গুণ ভাল। ৩. প্রতিদিন সকালে ও রাতে তিন চা চামচ অর্গানিক নারিকেল তেল খান, ক্যান্সার সেরে যাবে। চিনি পরিহারের পর নিচের দুটি থেরাপির যেকোনো একটি গ্রহণ গ্রহণ করুন। ক্যান্সার আপনাকে ঘায়েল করতে পারবে না। তবে অবহেলা বা উদাসীনতার কোনো অজুহাত নেই। উল্লেখ্য, ক্যান্সার সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে ডা. গুপ্তপ্রসাদ গত পাঁচ বছর ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্যটি প্রচার করছেন। সেই সঙ্গে তিনি সবাইকে অনুরোধ করেছেন এই তথ্যটি শেয়ার করে সবাইকে জানার সুযোগ করে দেয়ার জন্য। তিনি বলেছেন, “আমি আমার কাজটি করেছি। এখন আপনি শেয়ার করে আপনার কাজটি করুন এবং আশেপাশের মানুষকে ক্যান্সার থেকে রক্ষা করুন।” সূত্র: রেডিট

বাংলাদেশে একই পরিবারের ৪ সংখ্যালঘুকে গলা কেটে খুন।। চট্টগ্রাম: রক্তে ভাসছে ঘর। পড়ে রয়েছে একের পর এক গলাকাটা দেহ। এদের মধ্যে দুই শিশু রয়েছে। সবমিলে ৪ জনকে খুনের ঘটনায় আতঙ্ক কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পূর্ব রত্নাপালং এলাকা। স্থানীয় বড়ুয়া পরিবারের চারজনকে গলা কেটে খুন করা হয়েছে। বুধবার গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটেছে বলে পুলিশের অনুমান। নিহতদের নাম, সখী বড়ুয়া, তার পুত্রবধু মিলা, নাতি সনি ও রবিন। নিহত সখী বড়ুয়ার ছেলে রুখেন বড়ুয়া থাকেন কুয়েতে। আর পরিবারের সবাই থাকেন গ্রামের বাড়িতে। তদন্তে নেমেছে পুলিশ। উখিয়া থানার ওসি আবুল মনসুর জানান কেন একসঙ্গে এতজনকে খুন করা হল তার সূত্র খোঁজার চেষ্টা চলছে। সন্দেহ করা রয়েছে, গভীর রাতে সখী বড়ুয়ার ঘরে ঢুকেছিল কয়েকজন। তারাই গলা কেটে সবাইকে খুন করেছে। বৃহস্পতিবার সকালে স্থানীয়রা দেখতে পান নিহতদের। মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক। তড়িঘড়ি পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে কক্সবাজার হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠায়। কেন এই খুন, তা নিয়ে ধন্ধে পুলিশ।

পকেটে মাদক ঢুকিয়ে ফাঁসালে পুলিশের স্থান হবে হাজতে সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট |   বক্তব্য রাখছেন এআইজিপি মো. মোখলেসুর রহমান। ছবি:  ময়মনসিংহ: বাংলাদেশের অতিরিক্ত মহাপুলিশ পরিদর্শক (এআইজিপি) মো. মোখলেসুর রহমান বলেছেন, কোনো পুলিশ সদস্য যদি নিরীহ ব্যক্তির পকেটে মাদক ঢুকিয়ে দিয়ে মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করেন, সেই পুলিশের স্থান থানার চেয়ারে নয়, তার স্থান হবে থানার হাজতে।  বুধবার (১৩ মার্চ) বিকেলে নগরীর টাউন হলের অ্যাডভোকেট তারেক স্মৃতি অডিটোরিয়ামে ময়মনসিংহ জেলা পুলিশ আয়োজিত ই-ট্রাফিক পুলিশিং এবং মাদক ও জঙ্গিবাদ বিরোধী কমিউনিটি পুলিশিং সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।   মাদককে দেশের অন্যতম সমস্যা উল্লেখ করে এআইজিপি বলেন, মাদক নির্মূলে শুধু পুলিশের ওপর দায়িত্ব দিলেই হবে না, আওয়ামী লীগের নেতা ও সমাজের নেতৃস্থানীয়দেরও দায়িত্ব আছে। মোখলেসুর রহমান আরো বলেন, আমরা সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন কোনো জীব নই। আমরা ইচ্ছা করলেই সমস্ত কিছু করতে পারি না। সবার সহযোগিতা যদি পাওয়া যায়, তাহলে অবশ্যই কাঙ্খিত শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে পরিণত করতে পারবো। তিনি বলেন, আমরা জনবান্ধব, নারীবান্ধব ও শিশুবান্ধব পুলিশ হতে চাই। আমি চাই বাংলাদেশের পুলিশের সদস্যরা সাধারণ মানুষের, প্রান্তিক জনগোষ্ঠি, নির্যাতিত, অবহেলিত ও গরিব মানুষের জন্য পুলিশি ব্যবস্থা যেন কায়েম করে। তবে এজন্য অবশ্যই আমাদের সমাজের মানুষেরও সহযোগিতার হাত বাড়াতে হবে।  জেলা পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- পুলিশের ময়মনসিংহ রেঞ্জের ডিআইজি নিবাস চন্দ্র মাঝি, অতিরিক্ত ডিআইজি ড. আক্কাস উদ্দিন ভূঁইয়া, জেলা প্রশাসক ড. সুভাষ চন্দ্র বিশ্বাস, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ইউসুফ খান পাঠান, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুল, মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, জেলা কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির সভাপতি মমতাজ উদ্দিন। এর আগে জেলা পুলিশের ই-ট্রাফিক পুলিশিং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি।  এসময় তাৎক্ষণিকভাবে একটি মোটরসাইকেলকে ই-ট্রাফিকিং-এর আওতায় এনে চালকের মাথায় হেলমেট না থাকায় তার কাছ থেকে জরিমানা আদায় করেন অতিরিক্ত আইজিপি।  এসময় তিনি বলেন, ই-ট্রাফিক পুলিশিং মাধ্যমে ঝামেলা ছাড়াই জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন সংশ্লিষ্টরা।

একাদশী একটি চান্দ্র তিথি। চাঁদের শুক্ল ও কৃষ্ণপক্ষের একাদশী তিথি, হিন্দু ধর্মমতানুসারে পুণ্যতিথি হিসেবে বিবেচিত। হিন্দুধর্মমতে এদিন বিধবাদের, বিশেষত উচ্চবর্ণীয় বিধবাদের নিরম্বু উপবাস বিহিত। অবশ্য বর্ণ ও লিঙ্গনির্বিশেষে যে কেউ একাদশী পালন করতে পারেন। “কৃষ্ণ ভূলি যেই জীব অনাদি বহির্মুখ। অতএব মায়া তারে দেয় সংসার দুখ।।” শ্রীকৃষ্ণকে ভুলে জীব অনাদিকাল ধরে জড়া প্রকৃতি প্রতি আকৃষ্ট রয়েছে। তাই ম‍ায়া তাকে এ জড় জগতে নানা প্রকার দুঃখ প্রদান করছে। পরম করুণাময় ভগবান কৃষ্ণস্মৃতি জাগরিত করতে মায়াগ্রস্ত জীবের কল্যাণে বেদপুরাণে আদি শ‍াস্ত্রগ্রন্থাবলী দান করেছেন। ভক্তি হচ্ছে ভগবানকে জানার ও ভগবৎ প্রীতি সাধনের একমাত্র সহজ উপায়। শাস্ত্রে যে চৌষট্টি প্রকার ভক্ত্যাঙ্গের কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে একাদশী ব্রত সর্বত্তোম। শ্রবণ, কীর্তন, স্মরণ আদি নবধা ভক্তির পরই দশম ভক্ত্যাঙ্গরূপে একাদশীর স্থান। এই তিথিকে হরিবাসর বলা হয়। তাই ভক্তি লাভেচ্ছু সকলেরই একাদশী ব্রত পালনের পরম উপযোগিতার কথা বিভিন্ন পুরাণে বর্ণিত হয়েছে। একাদশী তিথি সকলের অভীষ্ট প্রদানকারী। এই ব্রত পালনে সমস্ত প্রকার পাপ বিনষ্ট, সর্বসৌভাগ্য ও শ্রীকৃষ্ণের প্রীতি বিধান হয়। নারী-পুরুষ নির্বিশেষে আট থেকে আশি বছর বয়স পর্যন্ত যে কোন ব্যক্তিরই ভক্তিসহকারে পবিত্র একাদশী ব্রত পালন করা কর্তব্য। সঙ্কটজনক অবস্থা বা জন্মমৃত্যুর অশৌচে কখনও একাদশী পরিত্যাগ করতে নেই। একাদশীতে শ্রাদ্ধ উপস্থিত হলে সেইদিন না করে দ্বাদশীতে শ্রাদ্ধ করা উচিত। শুধু বৈষ্ণবেরাই নয়, শিবের উপাসক, সূর্য-চন্দ্র-ইন্দ্রাদি যেকোন দেবোপাসক, সকলেরই কর্তব্য একাদশী ব্রত পালন করা। দুর্লভ মানবজীবন লাভ করেও এই ব্রত অনুষ্ঠান না করলে বহু দঃখে-কষ্টে চুরাশি লক্ষ যোনি ভ্রমণ করতে হয়। অহংকারবশত একাদশী ব্রত ত্যাগ করলে অশেষ যমযন্ত্রণা ভোগ করতে হয়। যে ব্যাক্তি এই ব্রতকে তুচ্ছ জ্ঞান করে, জীবিত হয়েও সে মৃতের সমান।  কেউ যদি বলে “একাদশী পালনের দরকারটা কি?’’ সে নিশ্চয় কুম্ভপাক নরকের যাত্রী। যারা একাদশী পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি করে শনির কোপে তার‍া বিনষ্ট হয়। একাদশীকে উপেক্ষা করে তীর্থ স্নান আদি অন্য ব্রত পালনকারীর অবস্থা গাছের গোড়া কেটে পাতায় জল দানের মতোই। একাদশী বাদ দিয়ে যারা দেহধর্মে অধিক আগ্রহ দেখায়, ধর্মের নামে পাপরাশিতে তাদের উদর পূর্ণ হয়। কলহ-বিবাদের করেণেও একাদশী দিনে উপব‍াস করলে অজ্ঞাত সুকৃতি সঞ্চিত হয়। পুণ্য প্রদায়িনী সর্বশেষ্ঠ এই ব্রত শ্রীহরির অতি প্রিয়। একাদশী ব্রত পালনে যে ফল লাভ হয়, অশ্বমেধ, রাজসূয় ও বাজপেয় যজ্ঞদ্বারাও তা হয় না। দেবরাজ ইন্দ্রও যথাবিধি একাদশী পালনকারীকে সম্মান করেন। একাদশী ব্রতে ভাগবত শ্রবণে পৃথিবী দানের ফল লাভ হয়। অনাহারে থেকে হরিনাম, হরিকথা রাত্রিজাগরণে একাদশী পালন করা কর্তব্য। কেউ যদি একাদশী ব্রতে শুধু উপবাস করে তাতে বহু ফল পাওয়া যায়। শুদ্ধ ভক্তেরা এই দিনে একাদশ ইন্দ্রিয়কে শ্রীকৃষ্ণে সমর্পণ করেন। একদশীতে শস্যমধ্যে সমস্ত পাপ অবস্থান করে। তাই চাল, ডাল, আটা, ময়দা, সুজি, সরিষা আদি জাতীয় খাদ্যদ্রব্য একদশী দিনে বর্জন করা উচিত। নির্জলা উপবাসে অসমর্থ ব্যক্তি জল,দুধ, ফল-মূল, এমনকি আলু, পেঁপে, কলা, ঘিয়ে বা বাদাম তেল অথবা সূর্যমুখী তেলে রান্না অনুকল্প প্রসাদ রূপে গ্রহন করতে পারেন। রবিশস্য (ধান, গম, ভূট্টা, ডাল, ও সরিষা) ও সোয়াবিন তেল অবশ্যই বর্জনীয়। দশমী বিদ্ধা একাদশীর দিন বাদ দিয়ে দ্বাদশী বিদ্ধা একাদশী ব্রত পালন করতে হয়। একাদশীতে সূর্যোদয়ের পূর্বে বা সূর্যোদয় কালে (1ঘন্টা 36 মিনিটের মধ্যে) যদি দশমি স্পর্শ হয়, তাকে দশমী বিদ্ধা বলে জেনে পরদিন একাদশীব্রত পালন করতে হয়। মহাদ্বাদশীর আগমন হলে একাদশীর উপবাস ব্রতটি মহাদ্বাদশীতেই করতে হয়। একাদশী ব্রত করে পরের দিন উপযুক্ত সময়ে শস্যজাতীয় প্রসাদ গ্রহণ করে পারণ করতে হয়। শাস্ত্রবিধি না মেনে নিজের মনগড়া একাদশী ব্রত করলে কোন ফল লাভ হয় না। একাদশী উপবাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বছরে ছাব্বিশটি একাদশী আসে। সাধারণত বার মাসে চব্বিশটি একাদশী। এইগুলি হচ্ছে– উৎপন্না, মোক্ষদা, সফলা, পুত্রদা, ষটতিলা, জয়া,বিজয়া, আমলকি, পাপমোচনী, কামদা, বরুথিনী, মোহিনী, অপরা, নির্জলা, যোগিনী, শয়ন, কামিক‍া, পবিত্রা, অন্নদা, পরিবর্তিনী বা পার্শ্ব, ইন্দিরা, পাশাঙ্কুশা, রমা এবং উত্থান।কিন্তু যে বৎসর পুরুষোত্তমাস, অধিমাস বা মলমাস থাকে, সেই বৎসর পদ্মিনী ও পরমা নামে আরও দুটি একাদশীর আবির্ভ‍াব হয়। যারা যথাবিধি একাদশী উপবাসে অসমর্থ অথবা ব্রতদিনে সাধুসঙ্গে হরিকথা শ্রবণে অসমর্থ, তারা এই একাদশী মাহাত্ম্য পাঠ কবা শ্রবণ করলে অসীম সৌভাগ্যের অধিকারী হবেন।

The disappearance of hindu people in Bangladesh since 1947 is dreadful as well as shocking and it caused force leaving hindu minority to India. Most of the repatriates taking shelter in assam, tripura, kolkata knowing everything why India is not responding strongly against this communal atrocity and violence. The question is how much Hindus in Bangladesh have to undergo with this situation , how many lives required to be sacrificed to bring peace and solidarity through India. What Priya Saha spoke to TRUMP is true and authentic. Why does India launched NRC project to hassle migrated hindus also, indeed we want to stay in bangladesh what should be made by indian hinduism government.

OLAMA LEAGUE IS A NUMBER ONE MILITANT GROUP IN THE BANGLADESH. Today, Bangladesh Olema League (Associate organization of Bangladesh Awami League) leaders announced on a meeting, If Hindus are nominated in the upcoming election then they will be resisted. Most of the Hindus think that, this opinion in not of Ollama League, actually this announcement of Bangladesh Awaami League. Awami League prevailed it by the mouth of Olama League. We demanded that, declare them as a militant group due to being Hindu heater. There is no nation in the world where have any terrorist organization like Olama League. I think, Olama League exports lots of terrorist in the different country of the world after proper trained them. So, western countries authorities should be investigation about Awami Olama League.

সরাইল উপজেলা কালিকচ্ছ ইউনিয়নের ক্ষুদিরাম। ১৮ বছর ৭ মাস ১১ দিন বয়সী এক তরতাজা যুবক ফাসীর আসামী. জেলার ফাঁসির আসামীকে প্রশ্ন করছে, জেলার — মৃত্যুর আগে তোমার শেষ ইচ্ছা কী? আসামী — আমি ভালো বোমা বানাতে পারি, মৃত্যুর আগে সারা ভারতবাসীকে সেটা শিখিয়ে দিয়ে যেতে চাই। এই মৃত্যুঞ্জয়ী নিজের মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণা শুনে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে খিল খিল করে হেসে উঠেছিলেন । এই অভূতপূর্ব ঘটনায় স্তম্ভিত বিচারক জিজ্ঞাসা করলেন , ” তোমার ভয় করছেনা ? ” ইংরেজ বিচারককে আরও স্তম্ভিত করে দিয়ে গম্ভীর কণ্ঠে উত্তর দিলেন , ” আমি গীতা পড়েছি । মৃত্যুভয় আমার নেই । ” এযুগের একজন ১৮ বছরের তরুনের কাছে এগুলো অবাস্তব/গল্প মনে হতে পারে কিন্তু ১৯০৮ সালে বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু বাস্তবেই এমন দুঃসাহসী কাজ করেছিলেন। এযুগের তরুণ, যুবকদের ০.০০০০১% জনেরও দেশপ্রেম ক্ষুদিরামের মত নেই। ক্ষুদিরামের ফাঁসি কার্যকর হয় ১৯০৮ সালের ১১ আগষ্ট। ঘড়িতে তখন ভোর ৪টা। সে সময় ক্ষুদিরামের পক্ষের আইনজীবি ছিলেন শ্রী উপেন্দ্রনাথ সেন। তাঁর ভাষ্যমতে -“ফাঁসির মঞ্চে ক্ষুদিরাম নির্ভীকভাবে উঠে যান। তাঁর মধ্যে কোন ভয় বা অনুশোচনা কাজ করছিল না। এদেশের নবীন যৌবনের প্রতীক হয়ে হাসিমুখে তিনি উঠে যান ফাঁসির মঞ্চে।” তাইতো বাঁকুড়ার লোককবি পীতাম্বর দাস এই বিপ্লবীর আত্মত্যাগের উপাখ্যানকে কেন্দ্র করেই গানে লিখেছিলেন, ”একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি। হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে জগৎবাসী।” যে দুর্লভ ছবিটি দেখছেন তা ১৯০৮ সালের এপ্রিল মাসে তোলা। ব্রিটিশ বিচারক কিংসফোর্ট যখন একের পর এক বিপ্লবিকে কারণে অকারনে শাস্তি দিচ্ছিলেন তখন তাকে মারার ব্যর্থ চেষ্টা করেন ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকী। ৩০ এপ্রিল কিংসফোর্টের গাড়িতে বোমা মারতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফেরার পথে আটক হন ক্ষুদিরাম। ছবির পিছনে দেখা যাচ্ছে আহত অবস্থায় বসে আছেন সহিস।আর পুলিশের মাঝে ধুতি পরা যে ছেলিটি দাড়িয়ে আছে তিনিই ক্ষুদিরাম বসু।৷৷ (সজীব)