OLAMA LEAGUE IS A NUMBER ONE MILITANT GROUP IN THE BANGLADESH. Today, Bangladesh Olema League (Associate organization of Bangladesh Awami League) leaders announced on a meeting, If Hindus are nominated in the upcoming election then they will be resisted. Most of the Hindus think that, this opinion in not of Ollama League, actually this announcement of Bangladesh Awaami League. Awami League prevailed it by the mouth of Olama League. We demanded that, declare them as a militant group due to being Hindu heater. There is no nation in the world where have any terrorist organization like Olama League. I think, Olama League exports lots of terrorist in the different country of the world after proper trained them. So, western countries authorities should be investigation about Awami Olama League.

Advertisements

সরাইল উপজেলা কালিকচ্ছ ইউনিয়নের ক্ষুদিরাম। ১৮ বছর ৭ মাস ১১ দিন বয়সী এক তরতাজা যুবক ফাসীর আসামী. জেলার ফাঁসির আসামীকে প্রশ্ন করছে, জেলার — মৃত্যুর আগে তোমার শেষ ইচ্ছা কী? আসামী — আমি ভালো বোমা বানাতে পারি, মৃত্যুর আগে সারা ভারতবাসীকে সেটা শিখিয়ে দিয়ে যেতে চাই। এই মৃত্যুঞ্জয়ী নিজের মৃত্যুদণ্ডের ঘোষণা শুনে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে খিল খিল করে হেসে উঠেছিলেন । এই অভূতপূর্ব ঘটনায় স্তম্ভিত বিচারক জিজ্ঞাসা করলেন , ” তোমার ভয় করছেনা ? ” ইংরেজ বিচারককে আরও স্তম্ভিত করে দিয়ে গম্ভীর কণ্ঠে উত্তর দিলেন , ” আমি গীতা পড়েছি । মৃত্যুভয় আমার নেই । ” এযুগের একজন ১৮ বছরের তরুনের কাছে এগুলো অবাস্তব/গল্প মনে হতে পারে কিন্তু ১৯০৮ সালে বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসু বাস্তবেই এমন দুঃসাহসী কাজ করেছিলেন। এযুগের তরুণ, যুবকদের ০.০০০০১% জনেরও দেশপ্রেম ক্ষুদিরামের মত নেই। ক্ষুদিরামের ফাঁসি কার্যকর হয় ১৯০৮ সালের ১১ আগষ্ট। ঘড়িতে তখন ভোর ৪টা। সে সময় ক্ষুদিরামের পক্ষের আইনজীবি ছিলেন শ্রী উপেন্দ্রনাথ সেন। তাঁর ভাষ্যমতে -“ফাঁসির মঞ্চে ক্ষুদিরাম নির্ভীকভাবে উঠে যান। তাঁর মধ্যে কোন ভয় বা অনুশোচনা কাজ করছিল না। এদেশের নবীন যৌবনের প্রতীক হয়ে হাসিমুখে তিনি উঠে যান ফাঁসির মঞ্চে।” তাইতো বাঁকুড়ার লোককবি পীতাম্বর দাস এই বিপ্লবীর আত্মত্যাগের উপাখ্যানকে কেন্দ্র করেই গানে লিখেছিলেন, ”একবার বিদায় দে-মা ঘুরে আসি। হাসি হাসি পরব ফাঁসি দেখবে জগৎবাসী।” যে দুর্লভ ছবিটি দেখছেন তা ১৯০৮ সালের এপ্রিল মাসে তোলা। ব্রিটিশ বিচারক কিংসফোর্ট যখন একের পর এক বিপ্লবিকে কারণে অকারনে শাস্তি দিচ্ছিলেন তখন তাকে মারার ব্যর্থ চেষ্টা করেন ক্ষুদিরাম ও প্রফুল্ল চাকী। ৩০ এপ্রিল কিংসফোর্টের গাড়িতে বোমা মারতে গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফেরার পথে আটক হন ক্ষুদিরাম। ছবির পিছনে দেখা যাচ্ছে আহত অবস্থায় বসে আছেন সহিস।আর পুলিশের মাঝে ধুতি পরা যে ছেলিটি দাড়িয়ে আছে তিনিই ক্ষুদিরাম বসু।৷৷ (সজীব)

রংপুরে হরিজন কলোনিতে নির্যাতন ও উচ্ছেদের অভিযোগ ।বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ তদন্তে নেমেছে । রংপুর সদর হাসপাতালে হরিজন কলোনি দীর্ঘদিনের। তারা আজ উচ্ছেদের শিকার। সরজমিনে দেখা গেছে দিলিপ, মুক্তা, সোনিয়া, গোকুলাসহ বেশ কয়েকটি বাড়ি উচ্ছেদ করা হয়েছে। দিলীপ জানান, আমরা বহু বছর যাবৎ পুরুষানুক্রমে সদর হাসপাতাল কলোনিতে বাস করে আসছি। সম্প্রতি আমরা লোকমুখে শুনতে পাই আমাদের কলোনি থেকে উচ্ছেদ করা হবে। কিন্তু সরকারীভাবে আমাদের কোন নোটিশ দেওয়া হয় নাই। আমরা একেবারেই হতদরিদ্র হরিজন সম্প্রদায়ের মানুষ, এখান থেকে আমাদের তাড়িয়ে দিলে আমাদের মরে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকবে না। এদিকে সদর হাসপাতাল কলোনিতে ছোট থেকে বড় হওয়া সোনিয়া, মুক্তা, সাজন, গোকুলা জানান, আমাদের মধ্যেই কিছু হরিজন ব্যক্তি ও স্থানীয় বাঙ্গালীদের যোগসাজসে ষড়যন্ত্র করে মাদক ব্যবসার মিথ্যা অভিযোগে আমাদের কলোনি হতে উচ্ছেদ করে দেয়। আমাদের বিভিন্নভাবে হুমকি প্রদান করে ও ভয়ভীতি দেখায়। এছাড়া তারা হেমন্তির নেতৃত্বে আরো ১০/১২ জন স্থানীয় মাস্তানদের নিয়ে গত শনিবার সকালে আমাদের বসতবাড়িতে হঠাৎ হামলা চালিয়ে বাড়িঘর ভাংচুর, লুটপাট ও ব্যাপক মারধর করে। তারপর আমাদের কলোনি থেকে জোরপূর্বক বের করে দেয়। হুমকি দিয়ে বলে তোরা আবার এখানে আসলে তোদের প্রাণে মেরে ফেলবো। এখন এই অবস্থায় আমরা ১২টি হরিজন পরিবার রাস্তায় রাস্তায় দিন কাটাচ্ছি। উপরে উল্লেখিত সংবাদ শুনে বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচের সভাপতি আডঃ রবীন্দ্র ঘোষ রংপুরে অবস্তিত তাহাদের প্রতিনিধি শ্রী ধিমান ঠাকুরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি আমাদের জানান রংপুর সদর থানায় একটি মামলা রুজু করার জন্য থানায় অবস্তান করছেন। কিছুক্ষন পর আডঃ ঘোষ থানায় যোগাযোগ করে থানার ও’ সি ‘ সাহেবের সঙ্গে কথা বলেন, তিনি বলেন জেলা পরিসদের ছেয়ারম্যান এর নির্দেশে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মিসেস সাথিয়া খানম ( মো্বাইল নং ০১৭২০৫১৮৪৪৬ ) এর সঙ্গে কথা বললে তিনি আমাদের জানান ” জেলা পরিষদ অভিযান পরিচালনা করে নাই ” যদি জেলা পরিষদ এই অভিযান পরিচালনা না করে থাকে তবে এই উচ্ছেদ পরিচালনা করল কারা ? বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ উক্ত ঘটনার তী্ব্র নিন্দা করে এবং হরিজন কলোনিতে নির্যাতন ও উচ্ছেদের কাজ বন্দ করে উচ্ছেদকৃত হরিজনদের পুনবাসনের ব্যবস্তা করা হউক । Source: এত্তেফাক থেকে। তাং ০৫।০৮।২০১৮ http://www.ittefaq.com.bd/wholecountry/2018/01/31/145519.html#.WnR0ScrvLH4.facebook This Land grabbing incident of Horizon minority communities at Rangpur District within Sadar Rangpur.

কুমিল্লা জেলার নাঙ্গইলকোট থানার কুকুরিখীল পশ্চিম পাড়া গ্রামের পূর্ণিমা রানী দাস (১৭) নামে এক হিন্দু এইচ,এস,সি পরীক্ষার্থী ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়েছে । পূর্ণিমা রানী দাস নাঙ্গইলকোট থানাধীন বাঙ্গড্ডা ডিগ্রী কলেজ থেকে ২০১৮ ইং সালে এইচ,এস,সি বোর্ড পরীক্ষা দিয়েছে । গত ১৯/০৭/২০১৮ইং তারিখে অনুমান ৪ ঘটিকার সময় পূর্ণিমা রানী দাস তার এইচ,এস,সি পরীক্ষার ফলাফল দেখার কথা বলিয়া মাহিনী বাজার যাওয়ার জন্যে বাড়ি থেকে বাহির হয় । যথাসময়ে পূর্ণিমা রানী দাস বাড়িতে ফিরে না আসায় আত্নীয় স্বজন সহ সম্ভাব্য সকল জায়গায় খোঁজাখুজি করিয়া তাহাকে পাওয়া যায় নাই । খোঁজাখুজি অব্যাহত আছে । বর্তমানে পূর্ণিমা রানী দাসের মোবাইল নম্বর ০১৭৪৮-৭৭২৮৯৫ বন্ধ আছে । উক্ত ঘটনার প্রেক্ষিতে পূর্ণিমা রানী দাস (১৭) এর পিতা-খোকন চন্দ্র দাস(৫০) নাঙ্গইলকোট থানায় প্রথমে ২১/০৭/২০১৮ইং তারিখে একটি জি,ডি এন্ট্রি করেন যাহার নং ৭৩০ । পরবর্তীতে ২২/০৭/২০১৮ ইং তারিখে সকাল হইতে মহিন(২১) নামে অপহরণকারী পূর্ণিমা রানী দাস এর পিতা-খোকন চন্দ্র দাসকে মোবাইল ফোন যোগে জানায় পূর্ণিমা রানী দাস তাহার কবজায় আছে আরও হুমকি প্রদান করে বলে এ ব্যাপারে কোন মামলা করিলে দেশে থাকতে দিবে না । এমত অবস্থায় খোকন চন্দ্র দাস(৫০),পিতা-মৃত অশ্বিনী কুমার দাস সাং-কুকুরিখীল পশ্চিম পাড়া ধোপা বাড়ি পোঃ মাহিনী বাজার থানাঃ নাঙ্গইলকোট জেলাঃকুমিল্লা । নাঙ্গইলকোট থানায় গত ২৬/০৭.২০১৮ইং তারিখে হাজির হইয়া ১) মোঃ মহিন(২১) ২) সাইফুল ইসলাম(২৮) উভয় পিতা-শহিদুল ইসলাম ৩) সামছুন্নাহার(২৮) পিতা-জহিরুল ইসলাম সর্ব ঠিকানা স্থায়ী;গ্রাম-ভুলুয়াপাড়া,উপজেলা/থানা নাঙ্গইলকোট,কুমিল্লা ও অজ্ঞাত নামা ২/৩ জনকে আসামী করে ১২/১০৪ নং এ ৭/৩০ ধারায় একটি মামলা করেন । মামলাটির তদন্তের দায়িত্য পান সাব-ইন্সপেক্টর (নিরস্ত্র) মিজানুর রহমান ৮৫১৩১৫৫৩৮৫ (মোবাইল নং-০১৭১২৯০১৪৯৯) । বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ(BDMW) এর সভাপতি এডভোকেট রবীন্দ্র ঘোষ উক্ত ঘটনা পর্যবেক্ষণ করছেন এবং ইতিমধ্যে এডভোকেট ঘোষ থানার ওসি সংগে কথা বলেন ওসি BDMW কে জানায় আসামীরা দ্রুত গ্রেফতার হবে এবং মেয়েটি উদ্দ্বারের প্রচেস্টা অব্যাহত আছে কিন্তু মেয়ের মাতা কান্না বিজরিত কন্ঠে বলেন “আমার মেয়েকে অপহরণকারীরা মেরে ফেলতে পারে নয়তো বা ধর্মান্তরিত করতে পারে। অতএব বাংলাদেশ মাইনরিটি ওয়াচ(BDMW) দাবি জানাছে যে পুলিশ অনতি বিলম্বে মেয়েটিকে উদ্দ্বার করে অপহরণকারীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে এসে শাস্থি বিধান করবেন । FACT FINDING OF KIDNAPPING OF MINORITY GIRL(17) FROM NANGOLKOT OF COMILLA DISTRICT ON 19.07.2018. Country : Bangladesh . Act : Right to integrity and right to religion. Crime : Kidnapping for forceful conversion. Name of the victim : Ms. Purnima Rani Das (17) Name of father: Khokan Chandra Das (50) Name of mother : Kanon Bala Das (40) Date of occurrence : 19.07.2018. Permenent Address : village Kukuri Khal Pachim Para, P.O. Mahini Bazar, P.S Nangolcot, District- Comilla. Bangladesh. Name of accuseds : 1) Md.Mohin (21) 2) Md.Saiful Islam (28), 3) Ms.Shamsun Nahar (28) and unknown 2/3 others. Date of investigation : 5th Aug,2018. CASE IN BRIEF:- The victim Ms.Purnima Rani Das went to the nearest market to know the result of her examination on the date of occurrence on 19.07.2018 at about 4 p.m. all on a sudden some unidentified persons with ill motive caught her and compelled her to board a micro bus towards the unknown destination. Father of the victim made a general diary No.730 dated 21.07.2018 at a local police station. On 22.07.2018 in the morning kidnappers made a telephone call to victim’s father and gave threat not to lodge F.I.R. at any police station; otherwise, he will be kicked out from Bangladesh. LEGAL ACTION:- Father of the victim lodged first information report (FIR) at Nangolkot police station on 26.07.2018 under section 7/30 of Women and children repression Act 2003 (Amended) against those perpetrators. Police could not rescue the victim, nor any perpetrators arrested. Mother and father went to police several times, but police failed to rescue the victim till writing of this report. INVESTIGATION:- I, Adv. Rabindra Ghosh of BDMW received an appeal from father and mother of the victim who requested us to rescue their college girl and thereafter I communicated with O.C. Langolkot police station over his mobile and wanted to know whereabouts of the victim and the kidnappers, but the O.C. said he is trying to rescue the victim girl but in vain. I also requested the O.C. to try his best to arrest the perpetrators but he said he could not arrest the same as they were absconding. I also talked with mother -Ms.Kanon Bala Das who cried and said ” Please rescue my daughter who did not attain 18 years of old till now” I also communicated with S.P. Comilla to help to rescue the victim. He also assured me that he will try. RECOMMENDATIONS:- BANGLADESH MINORITY WATCH is very much concerned with the kidnapping of minor Hindu girl and BDMW also demands urgent rescue of the victim girl from the possession of perpetrators and also arrest the perpetrators responsible for the crime against humanity. The right to life and integrity of minority girl should be maintained as per international protocol. The minor girl of minority communities should not be forcefully or mechanically be converted to other religion, as per the highest court’s decision of the country.

FACT FINDING OF BDMW ON DESTRUCTION AND DESECRATION OF HINDU DEITIES FOR EXTORTING MONEY FROM HINDU SHEBAIT AT SONATOLA P.S.WITHIN BOGRA DISTRICT (Source: The daily Korotoa dated 7th July 2018) Country : Bangladesh : Act : Right to religion. Crime: Destruction of Hindu deities for extorting money. Date of incident: 6th July 2018 at about 5 a.m. Name of Temple: Sree Sree Hori Mondir at Daspara. Place of the incident: Kormoza – Das Para, Sonatola PS, District-Bogra, Bangladesh. Names of perpetrators: Mohammad Ariful Islam (25) son of Md. Abdul Hannan, 2) Md.Zahidur Rahaman, son of Late Sayed Ali Akand, 3) Mohammad Saheen Islam son of late Badsha Kha. Date of investigation: 7 July 2018 CASE IN BRIEF : – A group of perpetrators named above belongs to Muslim demanded money for extortion from the President of Sree Sree Hori Mandir situated Das Para of Sonatola Upazila of Bogura District on 6 July 2018, President of the Hori Mandir declined to provide money to attackers. As a result those Mohammad Ariful Islam (25) son of Md. Abdul Hannan, 2) Md.Zahidur Rahaman, son of Late Sayed Ali Akand, 3) Mohammad Saheen Islam son of late Badsha Kha equipped with iron rods, bamboo sticks,Ram dao, ill motive trespassed into the Mandir, destructed two Hindu Deities cutting their heads and terrorizing the area causing loss of Taka 1,40,000.00/-. The local neighbour of the Temple caught hold of two perpetrators with the help of BDMW activists and two perpetrators have been handed over to Sonatola police for necessary action. LEGAL ACTION : – Sree Tuku Das- President of Sree Sree Hori Mandir lodged first information report (FIR) before Sonatola police station for the desecration of Hindu deities & extortion of money under section 143/447/295/323/385/506/34 of the penal code against those perpetrators. INVESTIGATION : – I, Adv. Rabindra Ghosh of BDMW contacted with Shariful Islam, Officer in Charge of Sonatola police station over his mobile. He said necessary action would be taken with the help of our BDMW representative Bikash Shornakar and accordingly a case has been registered within his PS and I also talked with S.P. Bogra district over his mobile phone for arresting the captured offenders and those offenders namely Md.Ariful Islam Dolan, Md. Zahidur Rahman has been taken to custody while they were destroying the Hindu deities at the Hori Mandir. More accused persons in connection with this crime would be arrested said ” Shariful Islam O.C. Sonatola PS. RECOMMENDATIONS : – BANGLADESH MINORITY WATCH is very much concerned about an attack on Hindu deities of Sree Sree HORI MANDIR desecrating the deities. The Perpetrators who demanded extortion money should be punished and be tried as per law of the country. The Hindu deities so far destroyed should be reinstalled within the Temple premises and the compensation be paid to the Temple for reconstruction at its original place. The right of religion for all citizen of the country should be guaranteed. Peaceful co-existence should be maintained.

No nations help to Bangladeshi Hindus, not even India. Because we are Bangladeshi Hindu. So, there is no humanity for Bangladeshi Hindus. All kinds of humanity only for Rohingya refugees, although most of the rohingya refuge has connection with terrorism activities. #There is no right to observe the religion of the temple and temple idols that can not save. I believe in his religion and futility. Similarly, the person who can not give honor, life and security to women, including his mother, daughter, wife, is better not to become a citizen and live like a hijra. It was difficult to save independence rather than achieve independence … Just as it is not possible to save independence, the gain of freedom is far better than subjection. A female student Poetry Rani (15) was killed after rape and raped Anis and her associates, in Dangapara, Panchmali union of Panchgani district in Panchagarh district, Panchagarh district, no arrest has been found till the last report has been reached!

Attracting Rohingya voters postaring in Burmese language in Cox’s Bazar municipal elections. Different leader of different parties had made Election posters in Burmese language to taking Rohingya refugees vote. Also a ruling parties leader was made poster in Burmese language to atasted their mark Boat beside another leaders. Now, it is clear to that, Rohingya refugees are becoming Bangladeshi voters and national ID card holders. Mayor and councilor candidates in the Cox’s Bazar municipality elections have been fielded to attract voters through competition. No one is backing Awami League, BNP and Jatiya Party. But very surprising is the awareness of social media for the benefit of social media posters in the Burmese language! The administration of the villagers hiding under the scourge of the government, and thousands of Rohingya being Bangladeshi voter and the national identity card holders, the issue is open secret! In posters, a candidate is campaigning for ‘camel bird’. As the unknown language is not known the name of the candidate is not available until the latest news. However, a trusted source told that the poster ward no. 2 winner councilor Mohammad Jafar Alam Helali. It is to be noted that 12 candidates have been given the symbol of camel birds in 12 wards as candidates for general membership or councilor posts in this municipal election. They are – Ward no.1-Rahmat Ullah, Ward no.2 -Md. Jafar Alam Helali, Ward no 3- Mohammad Aminul Islam, Ward no. 4- Didarul Islam, Ward no 5- Sahab Pudding, Ward no 6- Nasir Uddin, Ward no. 7- Mohammad Rashid, Ward 8- Raj Bihari Das, Ward ni 9- Helal Uddin, Ward10- Salahuddin, Ward no11- Amir Hossain and Ward no 12- Jasim Uddin. The elections were completed on July 25th

FACT FINDING OF DESECRATION OF HINDU KALI TEMPLE AT GOURNADI UPAZILA OF BARISAL DISTRICT BY BANGLADESH MINORITY WATCH ON 11.07.2018. (Source : Eibela.com ) Country : Bangladesh. Act : Right to religion. Crime: Destruction and Desecration of Hindu religious place. Date of occurrence: 08.07.2018 to 09.07.2018 at night. Complainant of the case : Sree Krishna Chakravorty. Place of occurrence: “Tara Mayer Mondir” at Chargada Toli within Gournadi Sadar Upazila of Barisal District. Name of the perpetrators: Not known. FACTS OF THE CASE : Some unidentified perpetrators on 8th of July 2018 at about 8 p.m. to 5 a.m. on 9th July,2018 most illegally trespassed within the Hindu temple and cut the head of ‘MAKALI” and seperared the head from the body of the deity and thus committed crime against religion with ulterior motive. LEGAL ACTION :- Sree Krishna Chakravorty – Porohit of the temple lodged first information report (FIR) before O.C. Gournadi police station on 09.07.2018 under section 447/295/427/ of penal code for taking necessary action. But police could not find out the perpetrators as yet. INVESTIGATION :- I, Adv. Rabindra Ghosh of BDMW contacted with O.C. Gournadi Police station over his mobile who admitted the fact and said a case lodged by Porohit of the temple and investigation is still going on to apprehend the criminals to justice. I also contacted with Mr.Saiful Islam, Superintendent of Police, Barisal who said investigation is going. I also requested the O.C. Monirul Islam to provide me a copy of F.I.R who assured me to provide the copy of the same for further investigation. RECOMMENDATIONS : BANGLADESH MINORITY WATCH is very much concerned about a desecration of Hindu deities and demand urgent action against the perpetrators responsible for desecration of deities and urge upon the goverment to reconstruct the deities for a peaceful existence in the country. The perpetrators should be punished as per law of the land. Religious intolerance should be stopped.

KIDNAPPING/FORCEFUL CONVERSION OF MINORITY HINDU COLLEGE GIRL (16) FROM MADHABDI POLICE STATION AT NORSINGDI DISTRICT BANGLADESH. Country : Bangladesh. Act : Right to religion and right to integrity. Crime : Kidnapping and forceful conversion. Name of the victim : Sreemoti Puza Rani Ghosh (16) Date of birth: 01.08.2001. Name of father: Sujit Kumar Ghosh, Name of mother: Ms.Biva Rani Ghosh. Permanent Address : Village : Gopaldi Bazar, Arai Hazar P.S. District-Narayangonj, Bangladesh. Names of the perpetrators: 1) Mohammad Faruk, 2) Mohammad Harun, 3) Mohammad Alamgir, 4) Mohammad Arif, 5) Md. Sabuj and more 2 to 3 unidentified perpetrators. Date of investigation: 16th July 2018 at about 12 a.m. CASE IN BRIEF : Hindu victim girl went to “RATHA JATRA” with her relations with a view to enjoy puja and other functions on 14.07.2018 at about 5.30 p.m. some noted perpetrators belonging to Muslim community most illegally kidnapped the victim, the victim cried but the perpetrators hurriedly took her away and decamped towards an unknown destination. The nearest relatives of the victim tried to trace their girl but not having been traceable became astonished and cried loudly for the rescue of the victim, who is reportedly a student of Nazrul Islam Babu College 1st year at Arai Hazar P.S. Narayangonj District of Bangladesh. LEGAL ACTION :- Prodip Ghosh – maternal uncle of the victim lodged First information report (FIR) at Madhabdi police station with the help of Adv.Rabindra Ghosh and other Human rights activists of BDMW on 17th July 2018 against those 1) Mohammad Faruk, 2) Mohammad Harun, 3) Mohammad Alamgir, 4) Mohammad Arif, 5) Md. Sabuj and more 2 to 3 unidentified perpetrators. Police preliminarily neglected to record the case in our presence, but with the intervention of Addl. S.P. Norsingdi District the police entertained recording the case. Police could not rescue the victim girl nor they arrested perpetrators till writing of this report. INVESTIGATION : – I, Adv. Rabindra Ghosh, Rabindra Nath Baral Rabin, Goutam Roy, Dilip Kumar Ray of Bangladesh Minority Watch visited the spot, talked with local witnesses, talked with O.C. Madhabdi PS, Md. Abul Kalam ( OC. Investigation) Mobile No. 01769692371 and 01714083824. We also talked with Mizanur Rahman, S.I. of police who has been entrusted with the duty to investigate the matter, but Mizanur Rahman was so negligent about his duties and responsibilities. He also requested the complainant not to mention many perpetrators rather than one perpetrator. We protested at the police station for his such discriminatory treatment being a Sub Inspector of Police of Madhabdi P.S. RECOMMENDATIONS : – BANGLADESH MINORITY WATCH is very much concerned about kidnapping and forceful conversion of minority Hindu girl. BDMW demand the perpetrators responsible for such crime should be arrested soon. The minor victim should be rescued and be produced before the court for ascertaining the age of the girl whether she is minor or major. The Government of Bangladesh ratified the International protocol and should abide by the rights of minorities.

KIDNAPPING OF MINORITY HINDU GIRL (15) FROM RANGPUR DISTRICT, INVESTIGATION :19.07.2018 ( VICTIM NOT YET RESCUED BY POLICE) Country : Bangladesh Act : Right to integrity and religion. Crime : Kidnapping and Forceful conversion. Name of the victim : Ms.Radha Rani Roy, Name of father : Late Binoy Chandra Roy, Name of mother : Kobita Rani Roy, Date of kidnapping : 12.07.2018 at about 9.00 hours Permanent Address of the victim : Khatkatia (Bala Kumar), P.S. Kotwali, District : Rangpur. Bangladesh. Name of perpetrators : Md. Sagar Meah (20), 2) Md. Momin Meah (55), 3) Mst. Sathi Begum and more 2-3 unknown perpertators, All of Amashu Kukrul, P.S Kotwali, Rangpur. FACTS OF THE CASE : On the date of occurrence (12.07.2018 at about 09.00) when the victim was going her school from her home, the above perpetrators with ill motive intercepted her movement and forcefully kidnapped her without her consent and had gone to unknown destination for forceful conversion to Islam. The victim girl was the student of Amashu Progoti High School, Rangpur District. LEGAL ACTION : Ms. Kobita Rani Roy (Destitute mother of the victim) lodged first information report (FIR) at Rangpur Kotwali police station with the help of BDMW on 19th July,2018 being case No.51/602 under section 7/30 of Women and Children Repression Act,2003. INVESTIGATION : – I, Adv. Rabindra Ghosh, Rabindra Nath Baral, Shymol Banarjee, Dhiman Bhattacharjee, Ratna Ghosh, Adv.Prasanta of BDMW visited the spot, talked with O.C. Kotwali police station, inquired into how the minority girl was kidnapped, mother of victim categorically stated that he is destitute, the perpetrators were trying to kidnap her daughter since long, but she, as simple man time and again forbidden them not to kidnap her daughter, but on the date of occurrence those perpetrators without any lawful authority and forcefully took her child and abducted for forceful conversion to Islam. We also talked with local witnesses 1) Rabin Chandra son of late Kamini Roy, 2) Sumon Chandra son of Khitish Chandra and 3) Biswanath Roy of Kotwali PS who categorically stated that the accused persons kidnapped the child for wrongful act and for forceful conversion to Islam. RECOMMENDATIONS : BANGLADESH MINORITY WATCH is very much concerned about kidnapping of Hindu minority school girl and BDMW condemned this heinous crime and demand immediate rescue of the girl and for arresting the perpetrators responsible for the offence as stated in the FIR. The perpetrators should be awarded deterrent punishment for the crime.